সালাতে রাফয়িল ইয়াদাইন (দুইহাত কাঁধ পর্যন্ত উঠানো) সংক্রান্ত সহীহ বা বিশুদ্ধ হাদীস

সালাত  হচ্ছে মুসলমান জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। আর এ ইবাদত ঐভাবেই করতে হবে যেভাবে নবী (সাঃ) করে দেখিয়ে গেছেন। এজন্য নবী (সাঃ) বলেছেন-“তোমরা সালাত (নামাজ)পড়, যেভাবে আমাকে পড়তে দেখ”(বুখারী ও মুসলিম)।

নিম্নে ,সালাতে  রাফয়িল ইয়াদাইন (দুইহাত কাঁধ পর্যন্ত উঠানো) সংক্রান্ত ,সহীহুল বুখারী ও মুসলিম এবং সুনান কিতাব- আবু দাউদ, মালিকী মুয়াত্তা, ইবনু নাসাঈ ও ইবনু মাজাহ থেকে সংকলিত হাদীসগুলো খণ্ড নম্বর, হাদীস নম্বর, পৃষ্ঠা নম্বর, এবং প্রকাশনীর নামসহ উপস্থাপন করা হলঃ-(যাতে করে প্রমাণ খুজতে কষ্ট না হয়) |


০১। আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রঃ)— সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) যখন সালাত শুরু করতেন, তখন উভয়হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন। আর রুকু’তে যাওয়ার জন্য তাকবীর বলতেন এবং যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখনও অনুরূপভাবে দু’হাত উঠাতেন এবং সামিআল্লাহু লিমান হামিদা ও রাব্বানা অলাকাল হামদ্‌ বলতেন। কিন্তু সিজদার সময় এরূপ করতেন না।

সহীহ বুখারী, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৬৯৯, পৃষ্ঠা নং১০০, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ

০২। মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল(রঃ)—আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)কে দেখেছি, তিনি যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন উভয়হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন। এবং যখন তিনি রুকুর জন্য তাকবীর বলতেন তখনও এরূপ করতেন। আবার যখন রুকু হতে মাথা উঠাতেন তখনও এরূপ করতেন এবং সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলতেন। তবে সিজদার সময় এরূপ করতেন না।

সহীহ বুখারী, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৭০০, পৃষ্ঠা নং১০০, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

০৩। ইসহাক ওয়াসিতি(রঃ)—আবু কিলাবা(রঃ)হতে বর্ণিত, তিনি মালিক ইবনু হুওয়ায়রিশ(রাঃ)কে দেখেছেন তিনি যখন সালাত আদায় করতেন তখন তাকবীর বলতেন এবং তাঁর দু’হাত উঠাতেন। আর রুকু করার ইচ্ছা করতেন তখনও তাঁর উভয়হাত উঠাতেন। আবার, যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখনও তাঁর উভয়হাত উঠাতেন এবং তিনি বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এরূপ করেছেন।

সহীহ বুখারী, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৭০১, পৃষ্ঠা নং১০১, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

০৪। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী, সাঈদ ইবনু মানসুর, আবু বাকর আবু শায়বা, আমর আন নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র(রঃ)—সালিম এর পিতা ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)কে দেখেছি তিনি যখন সালাত আরম্ভ করতেন তখন উভয়হাত উঠাতেন। এমনকি তা একেবারে তাঁর উভয় কাঁধ বরাবর হয়ে যেত। আর রুকু করার পূর্বে এবং যখন রুকু থেকে উঠতেন তখনও অনুরূপভাবে হাত উঠাতেন। কিন্তু উভয় সিজদাহ’র মাঝখানে তিনি হাত উঠাতেন না।

সহীহ মুসলিম, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৭৪৫, পৃষ্ঠা নং১৪১, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

০৫। মুহাম্মদ ইবনু রাফী(রঃ)—- ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ(সাঃ) যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন উভয়হাত উঠাতেন। এমনকি তা তাঁর উভয় কাঁধ বরাবর হয়ে যেত। পরে যখন রুকু করার ইরাদা করতেন তখনও অনুরূপ করতেন। আবার রুকু থেকে যখন উঠতেন তখনও অনুরূপ করতেন। কিন্তু সিজদাহ থেকে যখন মাথা তুলতেন তখন এরূপ করতেন না।

সহীহ মুসলিম, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৭৪৬, পৃষ্ঠা নং১৪১, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

০৬। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া— আবু কিলাবা(রঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি মালিক ইবনু হুওয়ায়রিশ(রাঃ)কে দেখলেন, তিনি যখন সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন তখন তাকবীর বলে উভয়হাত উঠালেন। আর যখন রুকু করার ইচ্ছা করলেন তখন উভয়হাত উঠালেন।আর রুকু থেকে যখন মাথা উঠালেন তখনও আবার হাত উঠালেন। এবং পরে বর্ণনা করলেন যে, রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এরূপ করেছেন।

সহীহ মুসলিম, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৭৪৮, পৃষ্ঠা নং১৪২, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

০৭।  আবু কামিল জাহদারী(রঃ) মালিক ইবনুল হুওয়ায়রিশ(রাঃ)থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)তাকবীর (তাকবীরে তাহরীমা) বলে উভয় কান বরাবর হাত উঠাতেন। আর যখন রুকু করতেন তখনও কান বরাবর উভয়হাত উঠাতেন। আবার যখন রুকু থেকে মাথা তুলে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলতেন তখনও অনুরূপ করতেন।

সহীহ মুসলিম, ২য় খণ্ড, হাদিস নং ৭৪৯, পৃষ্ঠা নং১৪২, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।এছাড়াও ইসলামিক সেন্টার কর্তৃক প্রকাশিত সহীহ মুসলিম শরীফ এর ২য় খণ্ডের ৭৫৮,৭৫৯,৭৬১ ও ৭৬২ নং হাদীস দেখুন।

০৮। আহ্‌মাদ ইবনু হাম্বল—সালিম থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ(সাঃ)কে সালাত আরম্ভ করার সময় তাঁর দু’হাত স্বীয় কাঁধ পর্যন্ত উঠাতে দেখেছি। অনুরূপভাবে রুকু করার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পরও তাঁকে হাত উঠাতে দেখেছি। কিন্তু তিনি দুই সিজদাহ’র মাঝখানে হাত উঠাতেন না। এই হাদিসটি অনুরূপ-বুখারী,মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ ও ইবনু মাজাহতে বর্ণিত আছে।

সুনানু আবু দাউদ, ১ম খণ্ড, হাদিস নং ৭২১, পৃষ্ঠা নং৩৯১, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

০৯। ইবনুল মুসাফ্‌ফা আল হিমসী—আবদুল্লাহ ইবনু উমার(রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ(সাঃ) সালাতে দাঁড়ানোর সময় নিজের দুইহাত কান পর্যন্ত উঠাতেন। তিনি তাকবীর বলে রুকুতে যেত তখন দুইহাত উপরে তুলতেন। এবং রুকু হতে উঠার সময়ও স্বীয় উভয়হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলতেন। তিনি দুই সিজদাহ’র মধ্যে হাত উঠাতেন না এবং প্রত্যেক রুকুর জন্য তাকবীর বলার সময় তিনি হাত উঠাতেন এবং এরূপ সালাত শেষ করতেন।       

সুনানু আবু দাউদ, ১ম খণ্ড, হাদিস নং ৭২২, পৃষ্ঠা নং৩৯২, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

১০। উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার—আবু ওয়ায়েল ইবনু হুজর(রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর সাথে সালাত আদায় করি। তিনি তাকবীর বলার সময় নিজের দুইহাত উঠাতেন, পরে তিনি তাঁর হাত কাপড়ের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরতেন। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি যখন রুকুর ইরাদা করেন, তখন স্বীয় হাত দু’খানা বের করে উপরে উঠাতেন। তিনি রুকু হতে মাথা উঠানোর সময়ও দু’হাত উপরে উঠান। অতঃপর তিনি সিজদায় যান এবং স্বীয় চেহারা দুইহাতের তালুর মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করেন। অতঃপর তিনি সিজদাহ হতে মাথা উঠাবার সময়ও স্বীয় হাত দু’খানা উত্তোলন করেন। এভাবে তিনি তাঁর সালাত শেষ করেন। রাবী মুহাম্মদ বলেন, এ সম্পর্কে আমি হাসান ইবনু আবুল হাসানকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এমনি ছিল রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর সালাত (নামায) আদায়ের নিয়ম। যে ব্যক্তি এর অনুসরণ করেছে-সেতো করেছে এবং যে ব্যক্তি ত্যাগ করেছে- সেতো তা ত্যাগ করেছে-মুসলিম। ইমাম আবু দাউদ(রঃ) বলেন, হাম্মাম-ইবনু জাহাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু উক্ত বর্ণনায় সিজদাহ হতে মাথা উঠানোর সময় হাত উঠানোর কথা উল্লেখ্য নেই।

সুনানু আবু দাউদ, ১ম খণ্ড, হাদিস নং ৭২৩, পৃষ্ঠা নং৩৯২-৩৯৩, প্রকাশনী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ। এ ছাড়াও আবু দাউদ এর পরবর্তী হাদীসগুলো যেমন- ৭২৬,৭৩০,৭৪৩,৭৪৪ ও ৭৪৫ নং হাদীসে বর্ণিত আছে।

১১। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার(রাঃ)—হতে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) যখন সালাত (নামায)আরম্ভ করার সময় উভয়হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন এবং যখন রুকু হইতে মাথা তুলতেন তখনও দুইহাত অনুরূপভাবে তুলতেন এবং বলতেন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা রাব্বানা অলাকাল হামদ্‌। অবশ্য সিজদাহ’র সময় তিনি হাত উঠাতেন না।

মুয়াত্তা মালিক, ১ম খণ্ড, পরিচ্ছেদ-৪, রেওয়াত নং১৬, পৃষ্ঠা নং১২৮, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

১২। সলিম ইবনু আবদুল্লাহ(রঃ)হতে বর্ণিত,আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)যখন নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন তখন তাকবীর বলতেন। নাফি (রঃ) বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনু উমার সালাত (নামায) আরম্ভ করার সময় উভয়হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন। আর যখন রুকু হতে মাথা তুলতেন তখন দুইহাত কাঁধের একটু নিচ পর্যন্ত তুলতেন।

মুয়াত্তা মালিক, ১ম খণ্ড, পরিচ্ছেদ-৪, রেওয়াত নং১৬, পৃষ্ঠা নং১২৮, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

১৩। আলী ইবনু হুজর(রঃ)—মালিক ইবনু হুওয়ায়রিস(রাঃ)থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ(সাঃ) দেখেছি,তিনি যখন তাকবীর বলতেন এবং রুকু থেকে মাথা তুলতেন তখন স্বীয় উভয়হাত উঠাতেন যা তাঁর কানের নিম্নভাগ (লতি) পর্যন্ত পেীছত।

সুনান আন নাসাঈ, ২য় খণ্ড, হাদিস নং১০২৭, পৃষ্ঠা নং৯৮, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃবাংলাদেশ।

১৪। কুতায়বা(রঃ)—আবদুল্লাহ ইবনু উমার(রাঃ)থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ(সাঃ)কে দেখেছি, যখন তিনি সালাত আরম্ভ করতেন তখন স্বীয় উভয়হাত তুলতেন কাঁধ পর্যন্ত। এ রকম হাত তুলতেন যখন তিনি রুকু করতেন এবং রুকু থেকে মাথা উঠাতেন।

সুনান আন নাসাঈ, ২য় খণ্ড, হাদিস নং১০২৮, পৃষ্ঠা নং৯৯, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

১৫। আলী ইবনু মুহাম্মদ, হিশাম ইবনু আম্মার ও আবু উমার যারীর(রঃ)—ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)কে দেখেছি, তিনি যখন সালাত শুরু করতেন তখন তিনি তাঁর দু’হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন এবং রুকুতে যেতেন ও যখন তিনি তাঁর মাথা রুকু থেকে উঠাতেন (তখনও হাত উঠাতেন)। তবে, তিনি দুই সিজদাহ’র মাঝখানে হাত উঠাতেন না।

সুনান আন নাসাঈ, ২য় খণ্ড, হাদিস নং১০২৮, পৃষ্ঠা নং৯৯, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ

১৬। হুমায়ুদ ইবনু মাসআদা(রঃ)— মালিক ইবনু হুওয়ায়রিস(রাঃ)থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)যখন তাকবীর বলতেন তখন তিনি তাঁর দু’হাত উভয় কানের কাছাকাছি উঠাতেন। আর যখন তিনি রুকুতে যেতেন, তখন অনুরূপ করতেন এবং যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখনও অনুরূপ করতেন।

সুনান ইবনু মাজাহ, ১ম খণ্ড, হাদিস নং৮৫৯, পৃষ্ঠা নং৩২৮, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

১৭।  মুহাম্মদ ইবনু বাশ্‌শার(রঃ)— আবু হুমায়দ সায়ীদ(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর অন্যান্য দশ সাহাবীর একজন। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)এর সালাত সম্পর্কে অধিক অবহিত। তিনি যখন সালাতে দাঁড়াতেন তখন সোজা হয়ে দাঁড়াতেন এবং তিনি তাঁর দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, এরপর তিনি বলতেন আল্লাহু আকবর। আর যখন তিনি রুকু করার ইরাদা করতেন তখন তিনি তাঁর দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন। এবং যখন তিনি বলতেন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ তখন তিনি তাঁর দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন এবং সোজা হয়ে দাঁড়াতেন আর যখন তিনি দ্বিতীয় রাকাত থেকে দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলতেন এবং তাঁর দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, যেমন তিনি সালাত শুরু করার সময় করতেন।

সুনান ইবনু মাজাহ, ১ম খণ্ড, হাদিস নং৮৬২, পৃষ্ঠা নং৩২৯, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ।

১৮। মুহাম্মদ ইবনু বাশ্‌শার(রঃ)—আব্বাস ইবনু সাহল সায়িদী(রঃ) বর্ণিত, একদা আবু হুমায়দ, উসায়দ সায়িদী, সাহল ইবনু সাদ ও মুহাম্মদ ইবনু মাস্‌লামা(রাঃ) একত্রিত হয়ে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর সালাত সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা করছিলেন; তখন আবু হুমায়দ(রাঃ) বলেন- আমি তোমাদের চেয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত। রাসুলুল্লাহ(সাঃ)সালাতে দাঁড়াতেন, এরপর তিনি তাকবীর বলতেন এবং তাঁর উভয়হাত উঠাতেন। এরপর তিনি তাকবীর বলে রুকুতে যাওয়ার সময় হাত উঠাতেন। এরপর তিনি দাঁড়াতেন এবং তাঁর দু’হাত উঠাতেন এবং এমনভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন যে, যাতে সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যথাস্থানে এসে যেত।

সুনান ইবনু মাজাহ, ১ম খণ্ড, হাদিস নং৮৬২, পৃষ্ঠা নং৩২৯, প্রকাশণী- ইসঃ ফাউঃ বাংলাদেশ। ইবনু মাজাহ’তে এ সংক্রান্ত আরো হাদীস দেখুন- ৮৬৪ থেকে ৮৬৭ নং পর্যন্ত।


এই পোস্টটি আপনার বন্ধুদের ই-মেইল করুন এই পোস্টটি আপনার বন্ধুদের ই-মেইল করুন এই পোস্টটি প্রিন্ট করুন এই পোস্টটি প্রিন্ট করুন

2 টি মন্তব্য রয়েছে এই পোস্টের উপর

আপনার একটি মন্তব্য দিন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।